বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মালয়েশিয়া থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হলেন মির্জা আব্বাস

মালয়েশিয়া থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে যোগ দিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বৈঠকে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর অসুস্থতা নিয়ে তিনি প্রথমে সিঙ্গাপুর এবং সেখান থেকে এখন মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এর আগে শনিবার (১১ জুলাই) রাত ৮টায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক শুরু হয়। শেষ হয় রাত পৌনে ১০টায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তবে কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সেটি জানা যায়নি। দলটির পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত কোনও ব্রিফিংও করা হয়নি।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বেগম সেলিমা রহমান।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল এবং ১৭ মে স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয় বলে জানা গেছে।

সর্বেশষ গত ২৯ জুন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, মির্জা আব্বাস থেরাপি সেশন শেষে স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে হাঁটাচলা এবং হালকা শারীরিক ব্যায়াম করছেন।

মালয়েশিয়ার পুসাত রিহ্যাবিলিটাসি নিউরো-রোবোটিক্স অ্যান্ড সাইবারনিক্স কেবাংসান পারকেসো সেন্টারে নিয়মিত পায়ের থেরাপি নিচ্ছেন। চিকিৎসকরা তাকে নিয়মিত থেরাপি, হাঁটাচলা ও ব্যায়াম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

চলতি বছর ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী মির্জা আব্বাস গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।

পরে ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর তার অবস্থার উন্নতি হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ফিজিওথেরাপি দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *