তানজিয়া জামান মিথিলা বললেন, ‘প্রায় প্রতিদিনই উপহার আসছে’

থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ৭৪তম মিস ইউনিভার্সের বিভিন্ন পর্বে পোশাক ও সাজ দিয়ে গত বছর নজর কাড়েন বাংলাদেশের তানজিয়া জামান মিথিলা। এবার বর্ণিল ঈদ ম্যাগাজিনের জন্য ঈদের পোশাকে সাজলেন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ। শুটের ফাঁকে ঈদস্মৃতি ও সৌন্দর্যচর্চা নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন বিপাশা রায়

মিথিলার ছোটবেলা মাগুরা শহরে কেটেছে। এখন পর্যন্ত সেখানে কাটানো ঈদের দিনগুলোই তাঁর কাছে সেরা। মিথিলা বলেন, ‘তখন ঈদের কেনাকাটা করতে বাবার সঙ্গে খুলনা যেতাম। আবার কখনো ঢাকা থেকে ঈদের কেনাকাটা করে দিতেন চাচারা। যদিও ফ্যাশন কী জিনিস বুঝতাম না, তবে সব সময় নিজেকে পরিপাটি রাখতে ভালো লাগত।’

ঢাকায় এসে যখন কাজ শুরু করলেন, তখন থেকে ঈদের আনন্দ ফিকে হতে শুরু করে। এমনও দিন গেছে, ঈদের সময়ও টানা কাজ করতে হয়েছে। তবে অনেক বছর পর এবার একটা ঈদ ঈদ ভাব এসেছে। সেই আমেজটা ভালোই উপভোগ করছেন এই অভিনেত্রী ও মডেল। কারণ জানতে চাইলে মিথিলা বলেন, ‘রোজার শুরু থেকে এত পোশাক উপহার পাচ্ছি যে বাসায় ঢুকলেই মনে হচ্ছে ঈদ। প্রায় প্রতিদিনই উপহার আসছে।’

মসলিনের পোশাকে আভিজাত্য

যেকোনো বিশেষ দিনে সাধারণত শাড়ি পরতে ভালোবাসেন তানজিয়া মিথিলা। ঈদের দিনও সেটার ব্যতিক্রম হতো না। মসলিন, শিফন, জর্জেটের শাড়ি পরতে ভালোবাসেন। তবে এখন প্রিয় পোশাকের চেয়ে আরামকে প্রাধান্য দেন বেশি। ঈদের পোশাকের তালিকায় তাই থাকে মসলিন অথবা সুতির কামিজ।

দেশে ঈদের কেনাকাটা করার জন্য মিথিলার পছন্দের ব্র্যান্ড হুমায়রা খান, মুমু মারিয়া আর হাউস অব আহমেদ। চার–পাঁচ বছর ধরে ঈদের কেনাকাটা এসব দোকান থেকেই সারেন। এসব ব্র্যান্ডের ডিজাইন ও টেইলরিং এত নিখুঁত হয় যে পোশাকগুলো পরলেই নিজেকে দেখে খুব আরাম লাগে।

 

ওশান ব্লু মসলিনের লং ড্রেসটির বুকের কাছে চুমকি, পুঁতির নকশা এনেছে অভিজাত ভাব। হাতাকাটা এই ড্রেসের সঙ্গে গয়না হিসেবে ইয়ারকাফ ও হাতের চূড় পরানো হয়েছে। ঈদের দিন সন্ধ্যায় এমন সাজে দেখা দিতে পারেন মিথিলা

পরিবারের সবার জন্য নিজেই ঈদের কেনাকাটা করেন মিথিলা। বিশেষ করে মায়ের জন্য প্রতিবারই একটা স্পেশাল শাড়ি কেনেন। ‘মা আড়ংয়ের মসলিন শাড়ি খুব পছন্দ করেন। ওখান থেকে তাই প্রতিবারই মায়ের জন্য ঈদের শাড়ি কিনি,’ বলছিলেন তানজিয়া।

গয়নার প্রতিও বিশেষ দুর্বলতা আছে। ডায়মন্ড আর গোল্ড পরতে যেমন ভালোবাসেন, তেমনি অ্যান্টিক আর রুপার গয়নার প্রতিও আছে বিশেষ টান। ‘এককথায়, আই লাভ জুয়েলারি। শুধু বাইরে নয়, ঘরের ভেতরেও সাজগোজ করে থাকতে ভালো লাগে। ভালো লাগে নিজেকে সব সময় পরিপাটি দেখতে,’ বলছিলেন এই বিউটি কুইন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *