শাহজালালে যাত্রীরা ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাচ্ছেন: বিমানমন্ত্রী

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ, বিশেষ করে যাত্রীদের সুবিধার্থে চালু করা ‘লাইভ ব্যাগেজ মনিটরিং’ ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

সরকারের এই পদক্ষেপের কারণে এখন ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই নিজেদের লাগেজ হাতে পাচ্ছেন যাত্রীরা।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত সোমবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্ট এলাকা পরিদর্শন করে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এ সময় অপেক্ষমাণ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের যাত্রা ও লাগেজ পাওয়ার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, যাত্রীরা এ সেবার মান ভবিষ্যতেও ধরে রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। যাত্রীসেবার এ মান বজায় রাখা এবং বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভোগান্তি কমানোর বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের গত সাত মাসের প্রচেষ্টায় বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার উন্নতি হয়েছে। যাত্রীরা জানিয়েছেন, তারা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে লাগেজ পাচ্ছেন। সেবার মান নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান। তবে এ মান ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ উক্তি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তার পরিকল্পনাগুলো ধীরে ধীরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় দুই মাস আগে যাত্রীদের জন্য লাইভ ব্যাগেজ মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এখন তা বাস্তবায়িত হয়েছে।

যাত্রীরা লাইভ ব্যাগেজ মনিটরিং কার্যক্রমে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, লাগেজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং বিমানবন্দরে ভোগান্তি কমাতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রিয়াদে ফ্লাইট চলাচল আপাতত স্থগিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন দিলে পুনরায় এ রুটে ফ্লাইট চালু করা হবে।

তবে যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘবের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে দাম্মাম অথবা মদিনা রুটে কিছু যাত্রী পরিবহনের জন্য কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে কার্যক্রম সীমিত থাকায় সরাসরি ও ট্রানজিট রুটের ফ্লাইট স্থগিত হয়েছে। এতে হাজারো যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন অনেকে। বিশেষ করে ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে না পারা প্রবাসীরা সমস্যায় পড়েছেন।

পরিদর্শনকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী এবং মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *