পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিলো ভারত

রাজনৈতিক বৈরিতায় ক্রিকেটে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলে না ভারত ও পাকিস্তান। নতুন করে এ বিষয়ে আরও দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে দিয়েছে ভারত সরকার। তবে ভারতে আয়োজিত বহুজাতির ক্রীড়া ইভেন্টে পাকিস্তানের খেলোয়াড় কিংবা দলের অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করবে না তারা। এমনটাই জানিয়েছে ভারতের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। অর্থাৎ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এখনও দূর অস্ত!

গত বছর দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত হয়েছিল, যা প্রায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছিল।

পারমাণবিক শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট বন্ধ। সর্বশেষ ২০১২-১৩ মৌসুমে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলেছিল তারা। বর্তমানে বৈশ্বিক ইভেন্টে তাদের বেশিরভাগ ম্যাচই নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয়।

চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত সহ-আয়োজক হলেও পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ খেলেছে শ্রীলঙ্কায়। এর মধ্যে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ ম্যাচও ছিল।

দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘দ্বিপাক্ষিক ক্রীড়া ইভেন্টের ক্ষেত্রে ভারতীয় দল পাকিস্তানে খেলতে যাবে না। একইভাবে পাকিস্তানি দলকেও ভারতে খেলার অনুমতি দেওয়া হবে না।’

তবে মন্ত্রণালয় বহুজাতিক ইভেন্ট নিয়ে নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে বলেছে, ‘ভারত বা বিদেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ও বহুজাতিক ইভেন্টের ক্ষেত্রে আমরা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলোর প্রচলিত নীতি এবং নিজেদের খেলোয়াড়দের স্বার্থকে গুরুত্ব দেই।’

একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াও সহজ করা হবে। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের দেওয়া হবে একাধিকবার প্রবেশের ভিসা।

এতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টে নির্ভরযোগ্য ভেন্যু হিসেবে ভারতের উত্থানকেও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। যেহেতু আগামী ২০৩০ সালে কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। এছাড়া ২০৩৬ সালের অলিম্পিক এবং ২০৩৮ সালের এশিয়ান গেমস আয়োজনের জন্যও তারা আহমেদাবাদকে ভেন্যু করার প্রস্তাব দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *