শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ৭ জন কারাগারে

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় ডাকাতি ও হামলার প্রস্তুতিকালে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রের ৭ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঢাকার আদাবর থানায় অস্ত্র আইনে করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হকের আদালত এই আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান এতথ্য নিশ্চিত করেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— সাইদ সরদার ওরফে সাহিদ, আকাশ, মো. ফারুক ওরফে ওমর ফারুক ওরফে কুত্তা ফারুক, কর্নেল, মো. মাইন উদ্দিন, মো. সিফাত ওরফে হিটার ও মো. নাহিদুল ইসলাম।

এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার উপপরিদর্শক ইয়ামিন সরকার।

আবেদনে বলা হয়, আসামিদের নাম ঠিকানা যাচাই এবং মামলাটির তদন্ত অব্যাহত আছে। মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামিদেরকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।

আসামিদের স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন ভিন্ন জেলায় হওয়ায় তাদের নাম-ঠিকানা অযাচাইকৃত রয়েছে। আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।  এদিন শুনানিকালে আসামি পক্ষের কোন আইনজীবী ছিল না।

বুধবার (৮ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে আদাবর থানা পুলিশ।

অভিযোগে সুত্রে জানা গেছে, রাজধানীর শেখেরটেক ৭ নম্বর সড়কের ব্রিজের ঢালের একটি গলিতে কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একটি মুরগির দোকানে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় চক্রটির কয়েকজন সদস্য পালিয়ে যায়। গ্রেফতার চক্রটির প্রত্যেক সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। ওই ঘটনায় আদাবর থানার উপপরিদর্শক মো. সোহেল রানা  বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলাটি দায়ের করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *